◐ Shell
reader mode source ↗
বিষয়বস্তুতে চলুন
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
প্লেবয়
প্রধান সম্পাদকহিউ হেফ্‌নার
বিভাগপুরুষদের ম্যাগাজিন
প্রকাশনা সময়-দূরত্বমাসিক
প্রকাশকপ্লেবয় এন্টারপ্রাইজ
মোট কপিসংখ্যা
(২০১৬)
৬৭৩,৪৭৩[]
প্রতিষ্ঠার বছর অক্টোবর ১৯৫৩; ৭২ বছর আগে (1953-10-01)[]
প্রথম প্রকাশডিসেম্বর ১৯৫৩
দেশমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ভিত্তিশিকাগো, ইলিনয়
ভাষাইংরেজি, বহুভাষীক
ওয়েবসাইটPlayboy
আইএসএসএন0032-1478

প্লেবয় (ইংরেজি: Playboy) মার্কিন পুরুষদের এবং জীবনধারা এবং বিনোদন ম্যাগাজিন, যা সাংবাদিকতা ও কল্পকাহিনীর পাশাপাশি নগ্ন নারীর আলোকচিত্র প্রকাশ করে। এটা হিউ হেফ্‌নার এবং তার সহযোগী কর্তৃক ১৯৫৩ সালে শিকাগোতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এবং যেখানে হেফ্‌নারের মায়ের কাছ থেকে নেয়া $১,০০০ ঋণের একটা অংশ নিহিত ছিল।[] ম্যাগাজিনটি নগ্ন এবং অর্ধ-নগ্ন[] মডেলদের (প্লেমেট) কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উল্লেখযোগ্য, প্লেবয় যৌন বিপ্লবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে,[] এবং বিশ্বের সেরা পরিচিত ব্যান্ডগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।[] ম্যাগাজিনটি প্রায় প্রতিটি মাধ্যমের উপস্থিতির পাশাপাশি প্লেবয় এন্টারপ্রাইজ কর্তৃক গড়ে উঠে।[] মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফ্ল্যাগশিপ ম্যাগাজিন ছাড়াও, প্লেবয়জাতি-নির্দিষ্ট সংস্করণ বিশ্বব্যাপী প্রকাশ করা হয়।

ম্যাগাজিনটির উল্লেখযোগ্য ঔপন্যাসিকদের ছোটো গল্প প্রকাশের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে, যাদের মধ্যে ছিলেন আর্থার সি ক্লার্ক,[] ইয়ান ফ্লেমিং,[] ভ্লাদিমির নাবোকভ,[] সল বেলো, চাক পালহানিয়াক, পি. জি. উডহাউস,[] হারুকি মুরাকামি, এবং মার্গারেট অ্যাটউড[] সম্পূর্ণ পৃষ্ঠা জুড়ে রঙিন কার্টুনের নিয়মিত প্রদর্শনের পাশাপাশি, এটি উল্লেখযোগ্য কার্টুনিস্টদের জন্য একটি শোকেসে পরিণত হয়ে ওঠে, যাদের মধ্যে হার্ভি কার্টজম্যান, জ্যাক কোল,[] এলডন দেদিনি,[১০] জুলেস ফিফার,[১১] শেল সিলভারস্টোন,[১২] এরিখ সকোল,[] রয় র‌্যামন্ড,[১৩] গহান উইলসন, এবং রোল্যান্ড বি. উইলসন অর্ন্তভূক্ত।[১৪] প্লেবয় উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের, যেমন শিল্পী, স্থপতি, অর্থনীতিবিদ, সুরকার, কন্ডাকটর, চলচ্চিত্র পরিচালক, সাংবাদিক, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ, ক্রীড়াবিদ এবং রেস কার চালকের মাসিক সাক্ষাতকারে প্রচার করেছে। ম্যাগাজিনটি সাধারণত একটি উদার সম্পাদকীয় অবস্থান অবলম্বন করে থাকে, যদিও এটি প্রায়ই রক্ষণশীল তারকাদের সাক্ষাত্কারও প্রকাশ করে থাকে।[১৫]

প্লেবয় ম্যাগাজিনে বেশিরভাগ নগ্ন আলোকচিত্র এক বছর-দীর্ঘ অপসারণের পর, মার্চ-এপ্রিল ২০১৭ সালের সংখ্যায় পুনরায় নগ্নতা ফিরিয়ে অনা হয়।

প্লেবয় প্রথম সংখ্যার প্রচ্ছদ, ডিসেম্বর ১৯৫৩।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৫০-এর দশক

[সম্পাদনা]

র‌্যাবিট লোগো

[সম্পাদনা]
স্বাতন্ত্র্যসূচক র‌্যাবিট লোগো সংযুক্ত প্লেবয় সিগারেট লাইটার।

একটি সাক্ষাৎকারে হেফ্‌নার ইটালীয় সাংবাদিক ওরিয়ানা ফাল্লাচির নিকট, প্লেবয়ের জন্যে তার র‌্যাবিট লোগো পছন্দের কারণ ব্যাখ্যা করেনঃ

The rabbit, the bunny, in America has a sexual meaning; and I chose it because it's a fresh animal, shy, vivacious, jumping - sexy. First it smells you then it escapes, then it comes back, and you feel like caressing it, playing with it. A girl resembles a bunny. Joyful, joking. Consider the girl we made popular: the Playmate of the Month. She is never sophisticated, a girl you cannot really have. She is a young, healthy, simple girl - the girl next door . . . we are not interested in the mysterious, difficult woman, the femme fatale, who wears elegant underwear, with lace, and she is sad, and somehow mentally filthy. The Playboy girl has no lace, no underwear, she is naked, well-washed with soap and water, and she is happy.

                         "হিউ হেফ্‌নার: 'আই অ্যাম ইন দ্য সেন্টার অব দ্য ওয়ার্ল্ড,'" ওরিয়ানা ফাল্লাচির কর্তৃক গৃহীত সাক্ষাৎকার, লুক ম্যাগাজিন, জানুয়ারি ১০, ১৯৬৭

১৯৬০–১৯৯০

[সম্পাদনা]

২০০০–২০১০

[সম্পাদনা]

প্লেবয় সাক্ষাৎকার

[সম্পাদনা]

সঞ্চলন

[সম্পাদনা]

প্লেবয়- এর বিক্রি নিষিদ্ধ

[সম্পাদনা]

মামলা

[সম্পাদনা]

আলোকচিত্রী

[সম্পাদনা]

অনেক উল্লেখযোগ্য আলোকচিত্রী প্লেবয়-এ অবদান রেখেছেন, যেমন: কেন মার্কাস,[১৬] রিচার্ড ফেগলে,[১৭] আর্নি ফ্রেইট্যাগ,[১৮] রন হ্যারিস,[১৯] টম কেলি,[১৬] ডেভিড ম্যাকেই,[২০] রাস মেয়ার,[২১] পম্পিও পোসার,[২২] Suze Randall,[২৩] হার্ব রিটস্‌,[২৪] স্টিফেন ওয়েডা,[২৫][২৬] স্যাম উ,[২৭] মারিও ক্যাসিলিয়া,[২৮] অ্যানি লিবভিত্জও,[২৪] হেলমুট নিউটন,[২৪] এবং বানি ইয়েগার[২৯]

সেলিব্রিটি

[সম্পাদনা]
সম্পূর্ণ তালিকার জন্য, দয়া করে দেখুনঃ প্লেবয় ব্যক্তিদের তালিকা ১৯৫৩–১৯৫৯, ১৯৬০–১৯৬৯, ১৯৭০–১৯৭৯, ১৯৮০–১৯৮৯, ১৯৯০–১৯৯৯, ২০০০–২০০৯, ২০১০–২০১৯

বিভিন্ন সেলিব্রিটি (গায়িকা, অভিনেত্রী, মডেল, প্রভৃতি) প্লেবয়ের জন্য নিজেদের উপস্থিত করেছেন। এটি একটি সংক্ষিপ্ত তালিকাঃ

চলচ্চিত্রঃ

সঙ্গীতঃ

ক্রিড়াঃ

টেলিভিশনঃ

আন্তর্জাতিক সংস্করণ

[সম্পাদনা]
মানচিত্রে প্লেবয় প্রকাশিত হয় এমন দেশসমূহের তালিকা দেখানো হচ্ছে। বর্তমান প্লেবয় আঞ্চলিক সংস্করণ প্রকাশকারী দেশসমূহ গাঢ় গোলাপি বর্ণে এবং সাবেক প্রকাশকারী দেশসমূহ হালকা গোলাপি বর্ণে প্রদর্শিত হচ্ছে।

(সহজাত তারিখে শুরু, বা সহজাত তারিখ পরিসীমা অনুযায়ী)

বর্তমানঃ

এশিয়া

আফ্রিকা

  • দক্ষিণ আফ্রিকা (১৯৯৩–১৯৯৬, ২০১১–২০১৩)[৩২][৩৩]

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা

  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১৯৫৩–)
  • ব্রাজিল (১৯৭৫–)
  • মেক্সিকো (১৯৭৬–১৯৯৮, ২০০২–)
  • আর্জেন্টিনা (১৯৮৫–১৯৯৫, ২০০৬–)
  • ভেনেজুয়েলা (২০০৬–)
  • কলম্বিয়া (২০০৮–)

ইউরোপ

  • জার্মানি (১৯৭২–)[৩৪]
  • ইতালি (১৯৭২–২০০৩, ২০০৮–)[৩৫]
  • ম্যাসেডোনিয়া (2010– )[৩৬]
  • স্পেন (১৯৭৮–)
  • নেদারল্যান্ডস (১৯৮৩–)
  • গ্রিস (১৯৮৫–)
  • হাঙ্গেরি (১৯৮৯–১৯৯৩, ১৯৯৯–)
  • চেক প্রজাতন্ত্র (১৯৯১–)
  • পোল্যান্ড (১৯৯২–)[৩২]
  • রাশিয়া (১৯৯৫–)
  • স্লোভাকিয়া (১৯৯৭–২০০২, ২০০৫–)
  • ক্রোয়েশিয়া (১৯৯৭–)
  • রোমানিয়া (১৯৯৯–)
  • স্লোভেনিয়া (২০০১–)
  • সার্বিয়া (২০০৪–)[৩৪]
  • ইউক্রেন (২০০৫–)
  • ইস্তোনিয়া (২০০৭–)[৩৭]
  • লিথুয়ানিয়া (২০০৮–)
  • পর্তুগাল (২০০৯, ২০১২–)[৩৮]
  • লাতভিয়া (২০১০–)[৩৯]
  • অস্ট্রিয়া (২০১২–)
  • বুলগেরিয়া (২০০২–)
  • মলদোভা (২০১২–)[৪০]
  • ইসরায়েল (২০১৩–)[৪১]

প্রাক্তনঃ

এশিয়া
  • জাপান (১৯৭৫–)
  • হংকং (১৯৮৬–১৯৯৩)
  • তাইওয়ান (১৯৯০–২০০৩)
  • ইন্দোনেশিয়া (২০০৬–২০০৭)[৩৪]
  • সিঙ্গাপুর

ইউরোপ

  • ফ্রান্স (১৯৭৩–২০১১)
  • নরওয়ে (১৯৯৮8–১৯৯৯)
  • তুরস্ক (১৯৮৬–১৯৯৫)
  • সুইডেন (১৯৯৮–১৯৯৯)
  • জর্জিয়া (২০০৭–২০০৯)[৪২]

ওশেনিয়া

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "AAM: Total Circ for Consumer Magazines"abcas3.auditedmedia.com। ২৩ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০১৬
  2. "Playboy Enterprises, Inc"Playboyenterprises.com। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
  3. Seib, Christine (৯ ডিসেম্বর ২০০৮)। "Hefner's Daughter Christie Walks Away from Playboy Enterprises"The Times। London। ৯ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১০
  4. "Playboy 'to drop' naked women images"। BBC News। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
  5. "Why America loved Playboy"। BBC News। ১৪ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
  6. 1 2 Wray, Richard (১৩ নভেম্বর ২০০৯)। "Iconix 'makes offer for Playboy'"The Guardian। London। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১১
  7. 1 2 3 4 5 Steven Watts। Mr Playboy: Hugh Hefner and the American Dream। Wiley। পৃ. ৮০, ৯১, ১১১, ১৪৪, ১৫২, ১৯০। আইএসবিএন ০-৪৭০-৫২১৬৭-৮
  8. Samuel Schuman (১৯৭৯)। Vladimir Nabokov, A Reference Guide। পৃ. ৬১
  9. Art Spiegelman (২০০১)। Jack Cole and Plastic Man: Forms Stretched to Their Limits। Chronicle Books। পৃ. ১২৬। আইএসবিএন ০-৮১১৮-৩১৭৯-৫
  10. Eldon Dedini (২০০৬)। An Orgy of Playboy's Eldon Dedini। Fantagraphics Books। পৃ. ৮। আইএসবিএন ১-৫৬০৯৭-৭২৭-২
  11. Stephen E. Kercher (২০০৬)। Revel with a Cause: Liberal Satire in Postwar America। University Of Chicago Press। পৃ. ৪৮০আইএসবিএন ০-২২৬-৪৩১৬৪-৯
  12. Shel Silverstein (২০০৭)। Playboy's Silverstein Around the World। Fireside। আইএসবিএন ০-৭৪৩২-৯০২৪-০
  13. Bryant, Mark (১৯ অক্টোবর ২০০৯)। "Roy Raymonde: Cartoonist noted for his work in 'Punch' and 'Playboy'"The Independent। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৫
  14. "Blog Archive » "We All Have To Start Somewhere" Department. Case in Point No.11"। EliSteinCartoons.com। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১১
  15. "Film Review: Hugh Hefner: Playboy, Activist and Rebel"। Filmjournal.com। ২০ জুলাই ২০১০। ৫ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১১
  16. 1 2 "Photographers"। Vintageplayboymags.co.uk। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১১
  17. Richard Fegley – Biography
  18. Arny Freytag – IMDb
  19. "Ron Harris Studio – We Have The Girls You Want"। Ronharris.com। ৬ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১১
  20. "Photographer"। David Mecey। ২৪ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১১
  21. Russ Meyer (I) – Biography
  22. Pompeo Posar – IMDb
  23. "Suze Randall"। Lycos.com। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১১
  24. 1 2 3 ""Playboy at 50" Christies Sale 1325 (December 17, 2003)"
  25. ""Playboy at 50" Christies Sale 1325 (December 17, 2003)"। ৩ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৪
  26. "Welcome to Stephen Wayda Photography"। ৩ মার্চ ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৪
  27. James R. Petersen, Playboy Redheads, Chronicle Books, 2005, p127. আইএসবিএন ০-৮১১৮-৪৮৫৮-২
  28. "Mario Casilli, Playboy Photographer"Vintage Playboy Mags। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০০৭
  29. "Bunnyyeager.com"। Bunnyyeager.com। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১১
  30. "Harkleroad to be in August Playboy magazine"। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মে ২০০৮
  31. "Philippine Playboy won't show full nudity"MSNBC। Associated Press। ২৭ মার্চ ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০০৯
  32. 1 2 "Playboy Takes On World With Big Video Expansion", By Richard Covington, International Herald Tribune, November 3, 1993. Retrieved June 23, 2007.
  33. Ndlovu, Andile (১৫ মে ২০১৩)। "Playboy SA stripped off mag rack"Times LIVE। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০১৩
  34. 1 2 3 "Jakarta struggles with the politics of pornography as Playboy comes to town", John Aglionby, January 30, 2006, The Guardian. Retrieved June 23, 2007.
  35. Party Time in Milan as Playboy Comes to Town, Corriere della Sera. Retrieved on 2008-12-08.
  36. "Playboy Macedonia"। Netpress.com.mk। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০। ২২ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ ডিসেম্বর ২০১১
  37. "Playboy Magazine Enters Estonia" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ জুলাই ২০০৭ তারিখে, Alo Raun, Postimees, 2007-06-07. Retrieved June 30, 2007.
  38. Portal Imprensa (২৬ মার্চ ২০০৯)। "Portugal will have its own version of Playboy magazine from this month"। Portal Imprensa। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০০৯
  39. "Playboy published also in Latvia"। bnn-news.com। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১০
  40. Galloway, Stephen (২০ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Hugh Hefner: The Playboy Interview"The Hollywood Reporter। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২
  41. Nati Tucker (১৪ জানুয়ারি ২০১৩)। "Show me the bunny: Playboy comes to Israel"Haaretz। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৩
  42. "Playboy Magazine Enters Georgia, Plans to Conquer Market" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে, Nino Edilashvili, The Georgian Times, 2007-05-21. Retrieved June 23, 2007.

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
অফিসিয়াল
অন্যান্য